শেয়ারবাজারে নীরব ‘রক্তক্ষরণ’ – দৈনিক গণঅধিকার

শেয়ারবাজারে নীরব ‘রক্তক্ষরণ’

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ২২ আগস্ট, ২০২৩ | ৯:২২ 47 ভিউ
শেয়ারবাজারে চলছে নীরব ‘রক্তক্ষরণ’। একদিকে ফ্লোর প্রাইসের (নিম্ন সীমা) কারণে পুঁজি আটকে থাকায় মার্চেন্ট ব্যাংক ও ব্রোকারেজ হাউজের সুদ বাড়ছে, অপরদিকে অল্প লেনদেনের মধ্যে শক্ত মৌলভিত্তির বিভিন্ন কোম্পানির শেয়ারের দাম কমছে। দিন দিন উধাও হয়ে যাচ্ছে বিনিয়োগকারীদের পুঁজি। আসছে না নতুন বিনিয়োগ। ফলে তারল্য সংকট ভয়াবহ। বিনিয়োগকারীদের একটি অংশ শেয়ার বিক্রি করে অপেক্ষা করছে। তবে মন্দার মধ্যেও কিছু কোম্পানির শেয়ারের দাম অস্বাভাবিকভাবে বাড়ছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, শেয়ারবাজার পরিস্থিতি ভয়াবহ। কিন্তু জাতীয় নির্বাচন, জিনিসপত্রের দাম বৃদ্ধি এবং আন্তর্জাতিক বিভিন্ন ইস্যুর কারণে শেয়ারবাজার পরিস্থিতি সামনে আসছে না। সরকারের কাছেও বাজারের গুরুত্ব হারিয়েছে। সরকারের নীতিনির্ধারকদের মধ্যে যাদের সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ততা নেই, তাদের কাছে শেয়ারবাজার বিরক্তির বিষয়। তাদের ভাবনা এ রকম, শেয়ারবাজার না থাকলে দেশের কোনো সমস্যা হবে না। এসব কারণেই ফ্লোর প্রাইস দিয়ে আগামী জাতীয় নির্বাচন পর্যন্ত বাজার আটকে রাখতে চাইছে সরকার। নির্বাচনের পর বাজার নিয়ে চিন্তা করবে। অন্যদিকে বিদেশে ডলার চলে যাবে এই আশঙ্কায় বহুজাতিক কোম্পানির লভ্যাংশ বিতরণ বন্ধ রয়েছে। তবে এর আগে সরকারের পক্ষ থেকেও বিভিন্ন সময়ে বেশ কিছু প্রণোদনা বাজারে দেওয়া হয়েছে। কিন্তু এর কোনো কিছু দীর্ঘমেয়াদে কাজে আসেনি। বর্তমানে অলিখিতভাবেই চিহ্নিত কয়েকটি সিন্ডিকেট বাজার উঠানো-নামানোর দায়িত্ব পালন করছে। তারা নিজেদের বাজারের মালিক মনে করেন। অর্থনীতিবিদ ও বাজার সংশ্লিষ্টদের মতে, মোটা দাগে বাজারে দুটি সংকট। চাহিদার দিক থেকে সংকট হলো-এই বাজারের প্রতি বিনিয়োগকারীদের আস্থা নেই। সরবরাহের দিক থেকে সংকট হলো ভালো কোম্পানির সংখ্যা কম। ফলে কারসাজি ও সিন্ডিকেটের জয়জয়কার অবস্থা। সবকিছু মিলে বর্তমানে দুর্বল অস্তিত্বে টিকে আছে শেয়ারবাজার। আর ক্রমেই অবস্থা আরও দুর্বল হচ্ছে। এখানে উত্তরণ একেবারেই কঠিন। জানতে চাইলে সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা ড. এবি মির্জ্জা আজিজুল ইসলাম বলেন, শেয়ারবাজারে দীর্ঘদিন থেকে বিনিয়োগকারীদের আস্থা সংকট চলছে। এর সঙ্গে অর্থনৈতিক বিভিন্ন সংকট, আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি এবং নির্বাচন ও জাতীয় রাজনীতিসহ সবকিছু যোগ হয়েছে। ফলে সবার আগে আস্থা সংকট দূর করতে পদক্ষেপ নিতে হবে। এক্ষেত্রে সুশাসন প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে আস্থা নিশ্চিত করতে হবে। অর্থাৎ কারসাজির মাধ্যমে কেউ তার টাকা হাতিয়ে নিলে বিচার হবে-এই মর্মে বিনিয়োগকারীদের নিশ্চয়তা দিতে হবে। পাশাপাশি ভালো শেয়ারের সরবরাহ বাড়াতে হবে। এই দুই পদক্ষেপের মাধ্যমে বাজারের সমস্যা দূর করা সম্ভব। তবে এটি খুব সহজ নয়। প্রসঙ্গত ফ্লোর প্রাইস হলো শেয়ার দাম কমার নিম্নসীমা। করোনার সময় অস্থিরতা ঠেকাতে নতুন নিয়ম চালু করেছে বিএসইসি। এর নাম শেয়ারের ‘ফ্লোর প্রাইস’। এক্ষেত্রে কোনো শেয়ারের দামের ভিত্তি হবে আগের ৫ দিনের সর্বশেষ লেনদেনের (ক্লোজিং প্রাইস) গড় দর। কোনো কোম্পানির শেয়ারের দাম ফ্লোর প্রাইসের নিচে নামতে পারবে না। কিন্তু দাম ১০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়তে পারবে। এরপর ফ্লোর প্রাইস তুলে নেওয়া হলেও ইউক্রেন রাশিয়া যুদ্ধের কারণে দরপতন ঠেকাতে গত বছরের ২৮ জুলাই পুঁজিবাজার দ্বিতীয়বারের মতো ফ্লোর প্রাইস দেয় বিএসইসি। এখনো সেটি বহাল আছে। এর ফলে বর্তমানে ২ শতাধিক কোম্পানির লেনদেন আটকে আছে। এতে যারা ঋণ নিয়ে বিনিয়োগ করেছেন, তারা সবচেয়ে বেশি বিপদে। শেয়ারবাজারের নিয়মিত ন্যূনতম খবর যারা রাখে, তাদের কাউকে যদি প্রশ্ন করা হয় এখানে সবচেয়ে বড় সমস্যা কী। এদের সবাই বলবে, ফ্লোর প্রাইস দিয়ে কৃত্রিমভাবে লেনদেন আটকে রাখা। বর্তমানে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) মূল্যসূচক ৬ হাজার ৩শ পয়েন্টে রয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, বিভিন্ন সংস্থা থেকে সরকারের উচ্চমহল থেকে জানানো হয়েছে, ফ্লোর প্রাইস তুলে নেওয়া হলে সূচক ৪ হাজার পয়েন্টে নেমে আসবে। এতে বিনিয়োগকারীরা পথে যাবে। বেশকিছু লোক আত্মহত্যা করতে পারে এমন আশঙ্কা রয়েছে। কারণ এর আগে শেয়ারবাজারে আত্মহত্যার নজির রয়েছে। এ ধরনের ঘটনা ঘটলে বিরোধী দলগুলো আন্দোলনের নতুন ইস্যু পাবে। ফলে ফ্লোর প্রাইস তুলে নেওয়া ঠিক হবে না। এসব কারণে আগামী নির্বাচনের আগে বাজারের ফ্লোর প্রাইস তুলে নেওয়ার সম্ভাবনা খুবই কম। তবে বাজার ব্যবস্থাপকদের বড় অংশই ফ্লোর প্রাইস তুলে নেওয়ার পক্ষে নয়। তারা কৃত্রিম সাপোর্টের পরিবর্তে বাজার স্বাভাবিকভাবে চলতে দিতে চায়। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ২০১০ সালের সঙ্গে বর্তমান বাজারের বেশ কয়েকটি জায়গার মিল রয়েছে। সে সময় বাজারে মার্জিন ঋণ ছিল সীমাহীন। ভালো কোম্পানির সংখ্যা ছিল কম। কোম্পানির মৌলভিত্তি নয়, বিনিয়োগ ছিল গুজবনির্ভর। সূচকের অস্বাভাবিক ওঠানামা ছিল। দুর্বল কোম্পানির শেয়ারের দাম অস্বাভাবিক বেড়েছিল। অর্থনীতির অন্যান্য সূচকের সঙ্গে পুঁজিবাজারের উত্থানের মিল ছিল না। বর্তমানে এর সবই বাজারে রয়েছে। উলটো করোনা, বিশ্বপরিস্থিতি এবং অর্থনৈতিক নেতিবাচক অবস্থায় বর্তমানে বেশ কিছু কোম্পানির আর্থিক অবস্থা আরও খারাপ হয়েছে। ফলে সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বাজারের বর্তমান পরিস্থিতি অত্যন্ত আশঙ্কার। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বাজারে চাহিদার দিক থেকে সমস্যা হলো এ খাতে বিনিয়োগকারীদের আস্থা নেই। আর সরবরাহের দিক থেকে সমস্যা হলো ভালো কোম্পানির সংখ্যা খুবই কম। তাদের মতে, শেয়ারবাজারের উন্নয়নের জন্য সামগ্রিকভাবে আর্থিক খাতের সংস্কার দরকার। কারণ একটি কোম্পানি পুঁজিবাজারে আসে মূলত দুই কারণে। প্রথমত, কোম্পানির সম্প্রসারণে দীর্ঘমেয়াদি পুঁজির জন্য, দ্বিতীয়ত, অন্যদের তুলনায় তালিকাভুক্ত কোম্পানির কর তুলনামূলকভাবে কম। কিন্তু যে দেশে ব্যাংক থেকে টাকা নিলে ফেরত না দিয়ে পার পাওয়া যায়, সেখানে শেয়ারবাজারে পুঁজির জন্য কোম্পানিগুলো আসতে আগ্রহী হবে না। দ্বিতীয়ত, যেসব কোম্পানিকে কর ছাড়ের প্রস্তাব দেওয়া হচ্ছে, বর্তমানে ওই কোম্পানি করই দেয় না। আর কর দিলেও দিলে বিভিন্নভাবে ফাঁকি দিয়ে পার পেয়ে যাচ্ছে। ফলে শেয়ারবাজার টেকসই করার জন্য সবার আগে ব্যাংকিং খাত ও জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সংস্কার দরকার। এরপর শেয়ারবাজারে নির্মোহভাবে সুশাসন প্রতিষ্ঠা করতে হবে। অর্থনীতিবিদ ও শেয়ারবাজার বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক আবু আহমেদ মনে করেন, শেয়ারবাজার অত্যন্ত স্পর্শকাতর। ফলে প্রণোদনার পরিবর্তে এখানে আইন-কানুন সংস্কার জরুরি। না হলে বিনিয়োগকারীরা আস্থা হারিয়ে ফেলে। এ অবস্থার উত্তরণে কৃত্রিমভাবে সূচক না বাড়িয়ে বাজারকে তার নিজস্ব গতিতে চলতে দেওয়া উচিত। বিভিন্ন সময়ে প্রণোদনা : গত দশ বছরে শেয়ারবাজারের স্থিতিশীলতায় উপর্যুপরি প্রণোদনা এসেছে। প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর, অর্থ মন্ত্রণালয়, নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিএসইসি, বাংলাদেশ ব্যাংক এবং এনবিআর থেকে বিভিন্ন প্রণোদনা দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে কোনোটি স্বল্প, কোনোটি মধ্য আবার কোনোটি দীর্ঘমেয়াদি। বিভিন্ন কর ছাড়, অবাধে কালো বিনিয়োগের সুযোগ এবং তারল্য সরবরাহ বাড়ানো হয়েছে। কিন্তু এসব প্রণোদনার পরও বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফেরেনি। সাময়িকভাবে নির্দিষ্ট কিছু চক্র সুবিধা পেলেও দীর্ঘমেয়াদে টেকসই হয়নি বাজার। সাম্প্রতিক সময়ে শেয়ারবাজারে ব্যাংকগুলোর বিনিয়োগ ক্রয়মূল্যে হিসাব করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এর আগে এটি বাজারমূল্যে হিসাব করা হতো। এক্ষেত্রে এক যুগেরও বেশি সময় ধরে এটি বাজার সংশ্লিষ্টদের দাবি ছিল। এছাড়া বিভিন্ন কোম্পানির বন্ডে ব্যাংকগুলোর বিনিয়োগকে শেয়ারবাজারের বিনিয়োগ সীমার বাইরে রাখা হয়েছে। বাজারের জন্য এটি অনেক বড় প্রণোদনা। তবে কোনো কোনো বন্ডে চাপ দিয়ে ব্যাংকগুলোকে বিনিয়োগ করতে বাধ্য করা হয়। এতে চাপা ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে ব্যাংকারদের মধ্যে। এছাড়া দশ বছরে ৬ বার কালো টাকা বিনিয়োগের সুযোগ দেওয়া হয়। এর মধ্যে ২০২০-২১ অর্থবছরে বিনাপ্রশ্নে দেশে কালো টাকা বিনিয়োগের সুযোগ দেওয়া হয়। একজন বিনিয়োগকারী মাত্র ১০ শতাংশ কর দিয়েই কালো টাকা সাদা করার সুযোগ পায়। এক্ষেত্রে সরকারের অন্য কোনো সংস্থাও টাকার উৎস নিয়ে কোনো ধরনের প্রশ্ন করবে না বলে ধারায় উল্লেখ করা হয়। বাজারে এর ইতিবাচক কোনো প্রভাব পড়েনি। বাজারে তারল্য বাড়াতে গত বছরে ৬০টি নতুন ট্রেক (ব্রোকারেজ হাউজ) অনুমোদন দেওয়া হয়। প্রতিটি হাউজ থেকে ৫ কোটি টাকা বাজারে এলেও ৩০০ কোটি টাকা তারল্য বৃদ্ধির কথা। কিন্তু দু-একটি প্রতিষ্ঠান ছাড়া অধিকাংশ লেনদেন শুরুই করতে পারেনি। ফলে যে উদ্দেশ্যে ট্রেকের অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল, তা সফল হয়নি। এছাড়া ২০১৮ সালে ডিএসইর ২৫ শতাংশ শেয়ার চীনের শেনঝেন ও সাংহাই স্টক এক্সচেঞ্জের কাছে বিক্রি করা হয়। ওই সময়ে স্টক এক্সচেঞ্জের কারিগরি সহায়তায় ৩০৭ কোটি টাকা দেওয়ার কথা ছিল। এছাড়া বাজার সংশ্লিষ্টদের প্রত্যাশা ছিল সময়ে চীনের বড় কিছু বিনিয়োগ আসবে। কিন্তু বাস্তবে এখন পর্যন্ত সে ধরনের কিছু ঘটেনি। অন্যদিকে বর্তমানে বহুজাতিক ও জয়েনভেঞ্চার মিলে ১৩টি কোম্পানি শেয়ারবাজারে তালিবকাভুক্ত। দু-একটি ছাড়া বাকিগুলো শক্ত মৌলভিত্তির। এসব কোম্পানির বেশিরভাগ শেয়ার উদ্যোক্তাদের কাছে। কোম্পানিগুলোর প্রতিবছর অনেক বেশি নগদ লভ্যাংশ দেয়। আর উদ্যোক্তারা যে লভ্যাংশ পায়, তা মার্কিন ডলারে রূপান্তর করে নিজ দেশে নিয়ে যায়। কিন্তু বাংলাদেশে ডলার সংকট চলছে। ফলে এসব কোম্পানির লভ্যাংশ বন্ধ রাখার জন্য অলিখিত নির্দেশনা রয়েছে। সামগ্রিকভাবে বাজারেও প্রভাব পড়ছে। দুর্বল কোম্পানির শেয়ারের দাম বাড়ছে : মন্দার মধ্যেও বাজারে দুর্বল কোম্পানির শেয়ারের দাম অস্বাভাবিক বাড়ছে। এর মধ্যে ফাইন ফুড, এমারেল্ড ওয়েল, সোনালি আঁশ, রহিমা ফুড, জেমিনী সিফুড, আলিফ ইন্ডাস্ট্রিজ, খান ব্রাদার পিপি ওভেন, সোনালী পেপার, ফুয়াং ফুড, সীপার্ল রিসোর্ট অ্যান্ড স্পা, আরডি ফুড, লিগ্যাসি ফুটওয়্যার এবং ইয়াকিন পলিমার অন্যতম। এর মধ্যে কোনো কোনো কোম্পানির শেয়ার এক বছরে সাতগুণ পর্যন্ত বেড়েছে। যা একেবারেই অস্বাভাবিক।

দৈনিক গণঅধিকার সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ট্যাগ:

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
‘নির্বাচনি প্রিমিয়ার লিগে’ একাই খেলছেন পুতিন কুষ্টিয়ার মঙ্গলবাড়িয়ায় পিতা-পুত্রের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার খোকসায় একাধিক মামলা থাকা সত্ত্বেও চলছে ভেজাল গুড়ের কারখানা খোকসায় চলছে ভেজাল গুড়ের কারখানা আদালত বর্জন বিএনপির আইনজীবীদের রাজনৈতিক স্ট্যান্টবাজি: আইনমন্ত্রী বৃহস্পতিবার জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী কুষ্টিয়ার স্বনামধন্য ইংলিশ প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী। স্বনামধন্য ইংলিশ প্রতিষ্ঠান CEL এর প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী অনুষ্ঠিত ভূ-রাজনীতির ফাঁদে বাংলাদেশ শায়েস্তাগঞ্জ পূজা উদযাপন সাড়ে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি ওসির! ইসরাইলের অভিযান নিয়ে যা বললেন পুতিন বেরিয়ে আসছে ব্যাটারদের হতশ্রী চেহারা নিউজিল্যান্ডের কাছে ৮ উইকেটের হার উন্নয়নের কারণে আমরা উন্নত জীবন যাপন করতে পারছি: শিক্ষামন্ত্রী মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণসহ চার অগ্রাধিকার নীতি ঘোষণা চালকের কিস্তি আর সংসারের চাকা ঘুরাল ‘টিম পজিটিভ বাংলাদেশ’ রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দেওয়ার পরিণতি ভালো হয় না: ফখরুল পিটার হাসের বক্তব্যের প্রতিবাদে যা বললেন সাংবাদিকনেতারা ‘কোনো চুক্তিতে দেশে ফিরছেন না নওয়াজ শরিফ’ পদার্থে নোবেল পেলেন ৩ জন ব্যবসায়ী সিন্ডিকেট দমনে কঠোর অবস্থানে সরকার: বাহাউদ্দিন নাছিম