কুষ্টিয়াতে বিএনপি ও যুবদলের উপর ধানের শীষের প্রার্থীর পরাজয়ের দায়-প্রতিবাদে পৃথক সংবাদ সম্মেলন।
গত ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কুষ্টিয়া-৪ আসনে বর্তমান ক্ষমতাসীন দল বিএনপির মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী সৈয়দ মেহেদী আহমেদ রুমী জামায়াতের প্রার্থী আফজাল হোসেনের কাছে পরাজিত হয়। নির্বাচন পরবর্তী সময়ে সংবাদ সম্মেলন করে হারের দায় দেওয়া হয় কুমারখালী উপজেলা বিএনপির সভাপতি আনছাড় প্রামাণিক, সাধারণ সম্পাদক লুৎফর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক রাসেল উদ্দিন বাবু, যুবদলের আহ্বায়ক জাকারিয়া আনসার মিলনসহ বিএনপি ও যুবদলসহ অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীদের উপর। তারই পরিপ্রেক্ষিতে বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) সকালে উপজেলার পৌর এলাকার হল বাজার মোড় সংলগ্ন উপজেলা বিএনপির উপজেলা কার্যালয়ে উপজেলা,পৌর ও ইউনিয়ন বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের আয়োজনে প্রতিবাদ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক লুৎফর রহমান। লিখিত বক্তব্যে বলা হয়,রাজনৈতিক মাঠে বিগত বছর গুলোতে যিনি ফ্যাসিবাদ বিরোধী আন্দলোনের বাইরে থেকে রাজনীতি করেছে তাকে প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করা এবং তার নির্বাচন কমিটিতেও যাদের রাখা হয়েছিল তাদের ভুল তথ্যের কারণেই বিএনপির প্রার্থী পরাজিত হয়েছেন। এছাড়াও কুমারখালী ও খোকসা উপজেলা বিএনপির নেতৃবৃন্দের সাথে নির্বাচনকালীন সমন্বয় না করে জয়ের ব্যাপারে অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাসী হয়ে তৃণমূলকে অনাগ্রহ করাটাও পরাজয়ের অন্যতম কারণ। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন,কুমারখালী উপজেলা বিএনপির সভাপতি নুরুল ইসলাম আনছার,সাংগঠনিক সম্পাদক রাসেল উদ্দিন বাবু,যুবদল নেতা জাকারিয়া আনছার মিলনসহ উপজেলার বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীরা। পৃথক আরেক সংবাদ সম্মেলনে কুমারখালী উপজেলা যুবদলের আহবায়ক জাকারিয়া আনছার মিলনকে বহিষ্কারের তীব্র প্রতিবাদ জানাই যুবদলের নেতাকর্মীরা। উপজেলা যুবদলের নেতা কর্মীরা এসময় দাবি করেন ,কুষ্টিয়া-৪ আসনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির পরাজয়ের একমাত্র কারণ তৃণমূল ও পরীক্ষিত নেতাকর্মীদের সাথে সমন্বয় না করা ।তারা আরো অভিযোগ করেন, পরিকল্পিত ভাবে তিনজন ব্যাক্তি সৈয়দ মেহেদী রুমীকে পরাজিত করেছে। আর তারা মেহেদী রুমীর কাছের লোক, অথচ আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছি বিজয়ের। সেসময় কুমারখালী উপজেলা, পৌর ও ইউনিয়ন যুবদলের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
