নিউজ ডেক্স
আরও খবর
২৬ ফেব্রুয়ারি একুশে পদক প্রদান করবেন প্রধানমন্ত্রী।
নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে রাষ্ট্রক্ষমতায় ফিরছে বিএনপি
নির্বাচনের ছুটিতে মুন্সীগঞ্জে ঘরমুখী মানুষদের পথে পথে ভোগান্তি।
ওসমান হাদির কবর জিয়ারত করলেন তারেক রহমান
বিএনপি চেয়ারপারসন ও তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া আর নেই
‘আমার ছেলেকে কেন মারল, সে তো কোনো অপরাধ করেনি’
ওসমান হাদির কবর জিয়ারত করলেন তারেক রহমান
কলোটাকা সাদা করা নিয়ে সংসদে ২ এমপির পাল্টাপাল্টি অবস্থান
আসন্ন ২০২৪-২৫ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে কলোটাকা সাদা করার সুযোগ দেওয়া নিয়ে পরস্পর বিরোধী অবস্থান তুলে ধরেছেন ২ সংসদ সদস্য। জাতীয় পার্টির সংসদ সদস্য মাসুদ উদ্দীন চৌধুরীর দাবি, এতে সৎ করদাতারা নিরুৎসাহিত হবেন। অন্যদিকে কিশোরগঞ্জের স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য সোহরাব উদ্দিন বলছেন, এত বেশি কর দিয়ে কেউ কালোটাকা সাদা করবে না। এ জন্য তিনি ৫ শতাংশ কর দিয়ে অপ্রদর্শিত আয় বৈধ করার সুযোগ দেওয়ার দাবি জানান।
রবিবার (২৩ জুন) জাতীয় সংসদে ২০২৪-২৫ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় এসব কথা বলেন ২ সংসদ সদস্য।
জাতীয় পার্টির সংসদ সদস্য মাসুদ উদ্দীন চৌধুরী বলেন, ১৫ শতাংশ কর দিয়ে কালোটাকা সাদা করার সুযোগ দেওয়া হচ্ছে। এতে সৎ করদাতাদের নিরুৎসাহিত হবেন এবং যারা কর দেন না, কালোটাকার মালিক, তাদের উৎসাহিত করা হচ্ছে। এটি কোন বিবেচনায় যুক্তিসংগত বলে প্রশ্ন করেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, কালোটাকা দুই রকম—একটা বেশি কালো, আরেকটা কিছুটা কম কালো। যেটা অর্জনের রাস্তা বৈধ কিন্তু কর দেননি যেমন চিকিৎসক ও আইনজীবীদের আয়, এটা কর দিয়ে বৈধ করার সুযোগ দেওয়া যায়। কিন্তু যেটার অর্জনের রাস্তাই অবৈধ, সেটাকে কোনোভাবেই বৈধতা দেওয়া যাবে না। এ ক্ষেত্রে দিতে হলেই জরিমানা দিয়ে এবং বিনিয়োগের শর্ত দিয়ে তা করা যেতে পারে।
মাসুদ উদ্দীন দাবি করে বলেন, মালয়েশিয়ায় শ্রমিক পাঠানো নিয়ে একটি গোষ্ঠী ষড়যন্ত্র করছে। তার অংশ হিসেবে বিভিন্ন গণমাধ্যমে লেখালেখি হচ্ছে। এটা এমনভাবে লেখা হচ্ছে, যেন বিশাল ভুল হয়ে গেছে।
অন্যদিকে আওয়ামী লীগের সাবেক ও বর্তমান স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য সোহরাব উদ্দীন বলেন, এর আগে ১০ শতাংশ কর দিয়ে অপ্রদর্শিত আয় প্রদর্শনের সুযোগ দেওয়া হয়েছিল। কেউ টাকা সাদা করেনি। এবার ১৫ শতাংশ কর দিতে হলে কেউ অপ্রদর্শিত আয় প্রদর্শন করবে না। এটি ৫ শতাংশ করা হলে বিপুল অপ্রদর্শিত আয় প্রদর্শন করবে মানুষ।
এই সংসদ সদস্য আরও বলেন, দেশে এখন বড় ব্যাধি দুর্নীতি। উন্নয়নের সঙ্গে দুর্নীতিও বেড়ে গেছে। দুর্নীতির লাগাম টানা না গেলে উন্নয়ন ধরে রাখা যাবে না। দেশ বাঁচাতে হলে দুর্নীতি প্রতিরোধ করতে হবে। ব্যাংকে দুর্নীতি বেড়ে গেছে। ব্যাংকের পদস্থ কর্মকর্তা, চেয়ারম্যান তারাই দুর্নীতিতে নিমজ্জিত। উদাহরণস্বরূপ বেসিক ব্যাংকের চেয়ারম্যান আব্দুল হাই বাচ্চু হাজার কোটি টাকা নিয়ে বিদেশ চলে গেছেন। তার বিচার হয়নি।
সোহরাব উদ্দিন বলেন, তারল্য সংকটের কারণে ব্যাংকে টাকা নেই। কিছুদিন আগে কিছু দুর্বল ব্যাংককে একীভূত করার সিদ্ধান্ত হয়েছিল। কিন্তু তা এখনও কার্যকর হয়নি। গ্রাহকরা টাকা তুলে নিয়ে গেছেন। অদূরদর্শী সিদ্ধান্তের কারণে এভাবে ব্যাংকের নাম প্রকাশ করার কারণে ব্যাংকগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, তাদের ফান্ড শূন্য হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, কিছু ব্যক্তি পুঁজিবাজারে এসে হাজার কোটি টাকা লুটপাট করে চলে গেছে। তারা পরিচিত মুখ। পুঁজিবাজার নিয়ে ভাবতে হবে। ব্যাংক ও পুঁজিবাজারের দিকে দৃষ্টি দিতে হবে।
জাতীয় পার্টির সংসদ সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, দেশের অর্থনীতি এখন চরম চাপে। এ বিষয়ে সমাধান তো দূরের কথা, এ বিষয়ে বাজেটে আলোচনাই করা হয়নি।



দৈনিক গণঅধিকার সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।