কাঁঠালের বিচি সংরক্ষণের উপায়

শুঁটকি দিয়ে কাঁঠালের বিচি ভুনা খেতে দুর্দান্ত। আবার কাঁঠালের বিচি দিয়ে মাংস কিংবা সবজির আইটেমও খেতে দারুণ সুস্বাদু। মৌসুম ছাড়াও কাঁঠালের বিচি খেতে চাইলে এখনই সময় সঠিক উপায়ে সংরক্ষণ করার। কয়েক উপায়ে সংরক্ষণ করা যায় কাঁঠালের বিচি। জেনে নিন বিস্তারিত।
১. কাঁঠালের বিচি ভালো করে ধুয়ে শুকিয়ে নিন। এগুলি ট্রেতে ছড়িয়ে দিন এবং রোদে রাখুন। দুই দিন রোদে দিলে পরবর্তী ২ সপ্তাহের জন্য ভালো থাকবে এগুলো। রোদে শুকানো বীজ ঘরের তাপমাত্রায় একটি শীতল ও শুষ্ক জায়গায় রাখুন।
২. কাঁঠালের বিচি ভালো করে ধুয়ে শুকিয়ে নিন ফ্যানের বাতাসে। ভালো করে শুকালে উপরের সাদা খোসা ছাড়িয়ে নিন। ভেতরের লালচে খোসা ছাড়ানোর দরকার নেই। শুঁটকি দিয়ে খেতে চাইলে মাঝখান থেকে দুই ভাগে ভাগ করে নিন। চাইলে আস্ত রাখতে পারেন কিংবা ছেঁচেও রাখতে পারেন। এবার চুলায় একটি পাত্রে পরিমাণ মতো পানি গরম করে খোসা ছাড়ানো কাঁঠালের বিচি দিয়ে দিন। ৫ মিনিট সেদ্ধ করুন। চাইলে উপরের লাল খোসাটা ছাড়িয়ে নিতে পারেন সেদ্ধ করার পর। পানি পুরোপুরি ঝরিয়ে তারপর একটি জিপলক ব্যাগে অথবা মুখবন্ধ পাত্রে ফ্রিজে সংরক্ষণ করুন কাঁঠালের বিচি। ৪ মাস পর্যন্ত ভালো থাকবে এগুলো।
৩. গুঁড়া করে সংরক্ষণ করতে পারেন কাঁঠালের বিচি। এজন্য রোদে শুকানো কাঁঠালের বিচি সেদ্ধ করে ঠান্ডা করুন। এরপর খোসা ছাড়িয়ে ছোট ছোট টুকরো করে কেটে নিন। শুকনো বীজ একটি তাওয়ায় অল্প থেকে মাঝারি আঁচে ভাজুন। ভাজার সময় কোনও তেল দেবেন না। ভাজা বীজ ঠান্ডা করে গ্রাইন্ডারে মিহি গুঁড়া তৈরি করুন। একটি পরিষ্কার, শুকনো পাত্রে কাঁঠালের বিচির গুঁড়া নিয়ে পাত্রটি একটি শীতল এবং শুকনো জায়গায় রাখুন। কাঁঠালের বিচির গুঁড়া ঘরের তাপমাত্রায় ৬ মাস পর্যন্ত রাখা যায়।
দৈনিক গণঅধিকার সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।