ডেঙ্গু মোকাবিলায় সবাইকেই দায়িত্ব নিতে হবে – দৈনিক গণঅধিকার

ডেঙ্গু মোকাবিলায় সবাইকেই দায়িত্ব নিতে হবে

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ২৬ আগস্ট, ২০২৩ | ৫:১২ 49 ভিউ
দেশে ভয়ংকর রূপ নিয়েছে ডেঙ্গু। গত ২৩ আগস্ট পর্যন্ত ১ লাখ ৮ হাজার ৬৩০ রোগী শনাক্ত হয়েছে। ঢাকার বাইরে এখন এর দাপট বেশি, মিনিটে মিনিটে আসা রোগী ম্যানেজ করতে হাসপাতালগুলোকে হিমশিম খেতে হচ্ছে। ঢাকার বাইরে চিকিৎসাব্যবস্থায় ঘাটতি থাকায় রোগীরা ঢাকামুখী হচ্ছে। অবশ্য ঢাকার হাসপাতালগুলোয়ও লোকবল ও বেডের ব্যাপক ঘাটতি রয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যমতে, গত জানুয়ারিতে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিল ৫৬৬ জন এবং মারা গেছে ৬ জন। আর এখন প্রতিদিন গড়ে ১১-১২ জন করে ডেঙ্গু আক্রান্ত ব্যক্তি মারা যাচ্ছে, ২৩ আগস্ট পর্যন্ত মৃত্যু হয়েছে ৫১৪ জনের। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন ডেঙ্গু আক্রান্তের প্রকৃত সংখ্যা আরও বেশি হবে; কারণ যেসব রোগী বাসায় থেকে চিকিৎসা নিচ্ছেন, তাদের গণনায় ধরা যাচ্ছে না। এক থেকে পাঁচ বছর বয়সি শিশুরা আক্রান্ত হচ্ছে বেশি। এ ব্যাপারে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যাদের চলাফেরা কম, মশা তাদের বেশি কামড়ায়। এক থেকে পাঁচ বছরের শিশুরা সাধারণত বাসাতেই থাকে এবং সকাল ও দুপুরের একটা বড় সময় মশারি ছাড়া ঘুমিয়ে কাটিয়ে দেয়। তাই সারা পৃথিবীতেই ডেঙ্গুতে মৃত্যুবরণ করা মানুষের একটি বড় অংশ শিশু। ১৯৬০ থেকে ২০১০ সালের মধ্যে ডেঙ্গুর ঘটনা ৩০ গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা জানুয়ারিতে সতর্ক করে বলেছিল, গ্রীষ্মমণ্ডলীয় রোগগুলোর মধ্যে বর্তমানে ডেঙ্গ্ইু সবচেয়ে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে বিশ্বে, যা মহামারিতে পরিণত হওয়ার শঙ্কা তৈরি করেছে। গত মার্চে সুদানের রাজধানী খার্তুমে প্রথমবারের মতো ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত হয়েছে। পেরুর বেশিরভাগ অঞ্চলে ডেঙ্গুর কারণে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা হয়েছে। ২০১৯ সালে ১২৯টি দেশে ডেঙ্গু ছড়িয়ে পড়েছিল। এ বছর ডেঙ্গু যেভাবে ছড়াচ্ছে, তাতে পরিস্থিতি আরও খারাপ হবে কিনা তা নির্ভর করছে এশিয়ার দেশগুলোতে বর্ষা মৌসুম দীর্ঘায়িত হবে কিনা তার ওপর। নগরায়ণ, জনসংখ্যা বৃদ্ধি, বিশ্বায়ন এবং বৈশ্বিক উষ্ণতার প্রভাবকে এর ব্যাপকতা বৃদ্ধির কারণ হিসাবে মনে করা হয়। বিশ্বে এ বছর ডেঙ্গুর প্রকোপ আগের সব রেকর্ড ছাড়িয়ে যেতে পারে বলে সতর্ক করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। ডেঙ্গুজ্বরের প্রথম বিবরণ পাওয়া যায় প্রথম সহস্রাব্দের এক চীনা মেডিকেল এনসাইক্লোপেডিয়ায়। সেখানে উড়ন্ত পতঙ্গের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত জলীয় বিষের কথা বলা হয়েছে। এশিয়ার বিভিন্ন দেশে এর প্রথম প্রাদুর্ভাব দেখা যায় ১৮৭১-৭২ সালের দিকে। ১৯৭৫ সালের পর থেকে দক্ষিণ এশিয়ায় এটি নির্দিষ্ট সময় পরপর দেখা দিচ্ছে। ভৌগোলিক বিভাজন অনুযায়ী বিষুবরেখার চারপাশে মোট ২৫০ কোটি জনসংখ্যার ৭০ শতাংশই এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের মহামারিপ্রবণ এলাকায় বসবাস করে। তাই এশিয়ায় ডেঙ্গু মহামারি আকারে ছড়িয়ে পড়ছে। আবহাওয়া সংবেদনশীল এ রোগটি এখন একটি বৈশ্বিক সমস্যা। ষাটের দশকে এ জ্বর আমাদের দেশে ‘ঢাকা ফিভার’ নামে পরিচিত ছিল, কারণ তখনো এ জ্বর সম্পর্কে খুব বেশি জানা সম্ভব হয়নি। ২০০০ সাল থেকে দেশে ডেঙ্গু শুরু হয়ে প্রতিবছর এর মাত্রা বাড়ছেই। বিগত বছরগুলোতে দেখা গেছে, আগস্ট-সেপ্টেম্বর ডেঙ্গুর জন্য খারাপ সময়। এ সময় আক্রান্ত ও মৃত্যু বেড়ে যায়। এখন সারা বছরই ডেঙ্গু থাকে। গত বছরের নভেম্বর-ডিসেম্বর পার হয়ে প্রায় জানুয়ারি পর্যন্ত ডেঙ্গু চলে এসেছে। এখন এটি কোনো মৌসুমি রোগ নয়। এ রোগ সারা বছর ধরে বিদ্যমান। একটি পত্রিকার রিপোর্ট বলছে, পৃথিবীতে প্রতিবছর প্রায় ৫ কোটি মানুষ ডেঙ্গুজ্বরে আক্রান্ত হয়। অবশ্য এদের বেশিরভাগই জটিল কোনো সমস্যা ছাড়াই আরোগ্য লাভ করে। জলবায়ু পরিবর্তন, অপরিকল্পিত নগরায়ণসহ বিভিন্ন কারণে এডিস মশা রূপ বদল করতে শুরু করেছে। এমনকি প্রতিকূল পরিবেশেও এটি বেঁচে থাকার সক্ষমতা অর্জন করেছে। আগে মনে করা হতো, এডিস মশা শুধু দিনে কামড়ায়, কিন্তু এখন রাতে উজ্জ্বল আলোর বৈদ্যুতিক বাল্ব ব্যবহারের কারণে অন্ধকার দূরীভূত হওয়ায় রাতেও কামড়ায়। আগে এ মশা ছিল ঢাকাকেন্দ্রিক আর এখন শহর, বন্দর, পল্লি অঞ্চলসহ সব জায়গায় ছড়িয়ে পড়েছে। ডেঙ্গু থেকে রক্ষা পেতে হলে মশার কামড় থেকে রক্ষা পেতে হবে, মশার প্রজনন ও বংশবিস্তার রোধ করতে হবে। একইভাবে মানুষকে এ ব্যাপারে নিজের করণীয়টুকু সম্পন্ন করতে হবে। বহুতল ভবনগুলোর পার্কিং স্পেস, বেজমেন্ট ও সিঁড়িঘরে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা অব্যবহৃত বিভিন্ন ধরনের ভাণ্ড, বালতির জমে থাকা পানিতেও এডিস মশার লার্ভার সন্ধান মিলছে। এডিসের একটি প্রজাতি ঝোপঝাড়ের গাছের বড় পাতায় জমে থাকা পানিতে থাকে অর্থাৎ আবাসিক ধরনের মশা ছাড়াও অন্য ধরনের মশাও ডেঙ্গু ছড়াচ্ছে। তাই মৌসুম শুরুর আগেই বাসাবাড়ির দরজা-জানালার নেট মেরামত করে নেওয়া যেতে পারে। বাসার পর্দাঢাকা যে জানালাটি একদিনের জন্যও খোলা হয়নি, সেটি একবার খুলি না কেন? ময়লা-আবর্জনা, ঝুল নিয়মিত পরিষ্কার করি না কেন? ঘরের মধ্যে ওই জায়গাগুলোতেই মশা-মাছি, পোকামাকড় লুকিয়ে থাকে। বাসাবাড়ির আসবাবপত্রের ফাঁকে মশা-মাছি লুকিয়ে থাকে। তাই আসবাবপত্র এমনভাবে রাখতে হবে, যেন ময়লা পরিষ্কারের জন্য তার চারপাশে অন্তত ঝাড়ু ঘোরানোর জায়গা থাকে। কিছুদিন পরপর ঘরের ফার্নিচারের পুনর্বিন্যাস করলে ঘরও দেখতে সুন্দর লাগে, একইসঙ্গে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নও থাকে। অনেকেই রাতে ঘুমানোর সময় মশারি ব্যবহার করেন না। ঘরের মধ্যে যদি মশা থাকে, তাহলে অবশ্যই মশারি ব্যবহারের অভ্যাস করতে হবে। আরামপ্রিয় এ জাতি দুপুরে খাওয়ার পর সুযোগ পেলেই একটু ঘুমিয়ে নেয়। মশার প্রকোপের এ সময়গুলোয় দিনের বেলা ঘুমালেও মশারি নেওয়া দরকার। কিছু লোশন, ক্রিমের নাম শোনা যায়, যেগুলো শরীরে মেখে রাখলে নাকি একটা নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত মশা কামড়ায় না। দায়িত্বশীল প্রতিষ্ঠানের তরফ থেকে বিষয়টি পরীক্ষা করা যেতে পারে। যদি এটি সঠিক হয় এবং এর কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া না থাকে, তাহলে এ ব্যাপারে জনগণকে অবহিত ও ব্যবহার করার পরামর্শ দেওয়া যেতে পারে। আমাদের হাসপাতালগুলোর পরিবেশ অপরিচ্ছন্ন। হাসপাতাল কম্পাউন্ডে ঢুকলেই চারদিকের অপরিচ্ছন্নতা মনকে বড় বেশি ভারাক্রান্ত করে তোলে। ওইসব প্রতিষ্ঠানের ক্যান্টিন /রান্নাঘরের অবস্থা আরও করুণ, তাই অনেক ক্ষেত্রে ওইসব রান্নাঘরেও মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করতে হয়। কোনো কোনো প্রাইভেট হাসপাতালের কেবিন/ওয়ার্ডের বেডে তেলাপোকা, মশা, মাছি ও অন্যান্য পোকামাকড় ভরা অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ রোগীদের আরও অসুস্থ করে তুলেছিল, অ্যারোসল ব্যবহার করেও কাজ হয়নি। আমাদের এ ব্যাপারে সচেতন হতে হবে। হাসপাতালের পরিবেশ অবশ্যই পরিচ্ছন্ন, আরামদায়ক ও রোগীবান্ধব পর্যায়ে নিয়ে আসতে হবে। রোগীর অবস্থা জটিল আকার ধারণ না করলে ডেঙ্গু রোগের চিকিৎসা সাধারণত বিশ্রাম ও তরল খাবার গ্রহণ। সেক্ষেত্রে নিজ বাসাতেই চিকিৎসাসেবা নেওয়া যেতে পারে। শহরের এলাকাগুলোকে গুচ্ছ গুচ্ছ বিভক্ত করে এলাকায় অবস্থিত হাসপাতাল/চিকিৎসাকেন্দ্রের চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীরা যদি বাসায় বাসায় গিয়ে স্বাস্থ্যসেবা ও পরামর্শ প্রদান করেন, তাহলে হাসপাতালগুলোর ওপর চাপ কমবে এবং রোগীরাও নিজ নিজ বাসায় স্বস্তির সঙ্গে বিশ্রাম নিয়ে দ্রুত আরোগ্য লাভ করতে পারবেন। অন্য অনেক দেশের মতো আমাদের দেশেও মশা নিধনে বিটিআই’র প্রয়োগ শুরু হয়েছে। বিটিআই এক ধরনের ব্যাকটেরিয়া। এটি সঠিকভাবে প্রয়োগ করতে পারলে দুই ঘণ্টার মধ্যে মশার লার্ভা ধ্বংস হয়। এটি জমে থাকা পানি, বিভিন্ন পাত্রে থাকা পানিসহ পুকুর-নর্দমা, ড্রেন, ডোবা বা যে কোনো স্থানে প্রয়োগ করা যায়। যানবাহন, উড়োজাহাজ থেকে এ বিটিআই স্প্রে মেশিনের মাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়া যায়। যুক্তরাষ্ট্রের এনভায়রনমেন্টাল প্রটেকশন এজেন্সির তথ্য অনুযায়ী এটি পরিবেশ, মানুষ এবং কোনো ধরনের প্রাণীর জন্যই ক্ষতিকর নয়। আবাসিক, বাণিজ্যিক এলাকা ও কৃষিক্ষেত্রে এটি ব্যবহার করা যায়। এর প্রয়োগে খাদ্যশস্য ও পানির কোনো ক্ষতি হয় না। ডেঙ্গু মোকাবিলায় সিটি করপোরেশন, পৌরসভা, ইউনিয়ন পরিষদের মতো স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোর দায়িত্ব অপরিসীম। প্রতিদিন দেশের প্রতিটি এলাকায় মশার ওষুধ ছিটাতে হবে। এটি সারা বছর জারি রাখতে হবে। দেশকে ডেঙ্গুমুক্ত করতে হবে। মনে হতে পারে, এটা কীভাবে সম্ভব; এত লোকবল, বা অর্থ কি আছে? যদি না থাকে তাহলে অন্য খাতের বাজেট সংকুচিত করে এ খাতে বরাদ্দ বাড়াতে হবে। সব বসতিতে ওষুধ ছিটাতে অস্থায়ী ভিত্তিতে লোক নিয়োগ করতে হবে। অর্থাৎ ডেঙ্গু আক্রান্ত প্রতিটি এলাকায় মশার ওষুধ ছিটাতে যা কিছু দরকার, তা নিশ্চিত করতে হবে, পাশাপাশি ডেঙ্গু নির্মূলে স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে প্রত্যেক বাসাবাড়ির সদস্য, এলাকাবাসী, কমিউনিটির বিভিন্ন সমিতি, প্রতিষ্ঠানকে এগিয়ে আসতে হবে। আমি মনে করি, স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোর সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ দেশকে মশা ও ডেঙ্গুমুক্ত করা। তাই তাদের তরফ থেকে মশা নিয়ন্ত্রণে রোডম্যাপ প্রণয়ন করতে হবে। তারা কতদিনে দেশকে মশা ও ডেঙ্গুমুক্ত করতে পারবে সেটি জনগণকে জানাতে হবে। জনমানুষের শঙ্কা কাটাতে হবে। ডেঙ্গু মোকাবিলায় আমি আমার বাসার গেটের সামনে ও পেছনের বারান্দায় মশার কয়েল জ্বালিয়ে রাখি। এতে বারবার দরজা খোলার কারণে ঘরের মধ্যে মশা ঢোকার আশঙ্কা কমে। একইসঙ্গে বাসার ভেতরে গুডনাইট (বৈদ্যুতিক) লিকুইড জ্বালিয়ে রাখি। আর বাসাবাড়ির আশপাশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার চেষ্টা করে যাচ্ছি। এই হলো আমার ডেঙ্গু মোকাবিলার প্রস্তুতি। আর বাইরে থেকে যদি বাড়ির আশপাশে মশার ওষুধ ছিটায়, তাহলে সেটা বাড়তি পাওয়া। মনে রাখতে হবে, আমাদের ৬০ শতাংশ মানুষেরই মশা দূর করার জন্য অ্যারোসল বা মশার কয়েল কেনার পর্যাপ্ত টাকা নেই। তাই সিটি করপোরেশনের উদ্যোগে বস্তিবাসী ও দরিদ্র জনগণের মধ্যে বাড়তি ব্যবস্থা হিসাবে মশার কয়েল, অ্যারোসল, মশারি সরবরাহের উদ্যোগ নেওয়া যেতে পারে। ডেঙ্গু রোগের ধরন ও গতিপ্রকৃতি প্রতিনিয়ত পরিবর্তিত হচ্ছে। এর সুনির্দিষ্ট চিকিৎসা নেই, ফলে প্রতিকারের চেয়ে প্রতিরোধের দিকেই আমাদের নজর দিতে হবে বেশি। তাই ডেঙ্গু মোকাবিলায় চিকিৎসকের ভূমিকা ও দায়িত্ববোধের চেয়েও ব্যক্তি সচেতনতা, পরিবার, সমাজ এবং সংশ্লিষ্ট কিছু প্রতিষ্ঠানের কর্তব্যপরায়ণতা ও কর্মতৎপরতা বেশি থাকা দরকার। সালাহ্উদ্দিন নাগরী : সরকারি চাকরিজীবী snagari2012@gmail.com

দৈনিক গণঅধিকার সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ট্যাগ:

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
আওয়ামী লীগের সমাবেশ শুরু, স্লোগান কম দেওয়ার আহ্বান নিউমার্কেট সায়েন্সল্যাব চাঁদাবাজদের স্বর্গরাজ্য ‘ঠেকায়ে কারও কাছে কিছু নেইনি, কাউরে উপকার করে যদি…’: এসআই ওবায়েদুর রহমান বীর বাঙালি মুক্তির শপথে অনড় উৎস চিহ্নিত, প্রতিকারে নেই কার্যকর উদ্যোগ চট্টগ্রামে নির্দেশনা মানছেন না ব্যবসায়ী-আড়তদাররা গাজায় ২,০০০ টন খাদ্য পাঠাল যুক্তরাজ্য ইউক্রেনের পতন ঠেকাবে যুক্তরাষ্ট্র ক্যানসারের টিউমার অপসারণে বিশ্ব রেকর্ড রুশ চিকিৎসকদের পুলিশ না চাইলে ফুটপাতে চাঁদাবাজি বন্ধ হবে না চীন পরিচালিত পাকিস্তানের সমুদ্র বন্দরে হামলা, নিহত ৮ দেশের জনগণ ত্রিশঙ্কু অবস্থায় রয়েছে: মির্জা আব্বাস সরকারি চাকরিতে ঢুকলেই পেনশন স্কিম বাধ্যতামূলক এবার সাকিবকে একহাত নিলেন রুমিন ফারহানা ‘দেশের মানুষ খেতে পায় না, আ.লীগ নেতারা বিদেশে সম্পদ গড়ে’ প্রধানমন্ত্রীর বলিষ্ঠ নেতৃত্বের কাছে বিএনপি-জামায়াত পরাজিত হয়েছে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী ১৮শ বছরের পুরোনো রোমান মূর্তি ঈদে যেসব ব্যাংকে নতুন নোট মিলবে ৩১ মার্চ থেকে প্রথম দিনেই এক্সপ্রেসওয়ের এফডিসি এক্সিট র‌্যাম্পে তীব্র যানজট জুনের শেষ সপ্তাহে হতে পারে এইচএসসি পরীক্ষা