নিউজ ডেক্স
আরও খবর
কুষ্টিয়াতে বিএনপি ও যুবদলের উপর ধানের শীষের প্রার্থীর পরাজয়ের দায়-প্রতিবাদে পৃথক সংবাদ সম্মেলন।
ভেড়ামারায় গাঁজাসহ নারী মাদক ব্যবসায়ী আটক, থানায় মামলা দায়ের
১০ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদের অভিযোগে আতাউর রহমান আতার বিরুদ্ধে দুদকের মামলা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সম্পদ বিবরণী দাখিল না করায়।
কুমারখালী হাসপাতালে ৮ মেডিকেল অফিসারের যোগদান।
দৌলতপুরে রহস্যজনক মৃত্যু, তালাবদ্ধ ঘর থেকে গলিত লাশ উদ্ধার
ভিপি নুর প্রতিমন্ত্রী হওয়ার খবরে কুষ্টিয়ায় আনন্দ মিছিল।
দৌলতপুর সীমান্তে বিজিবির অভিযান: বিদেশি পিস্তলসহ দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার
মাকে হত্যার দায়ে কুষ্টিয়ায় সন্তানের যাবজ্জীবন কারাদন্ড
কুষ্টিয়ায় এক বৃদ্ধাকে শ্বাসরোধে হত্যার পর মরদেহ গুমের দায়ে নিহতের একমাত্র ছেলে ও দেবরসহ তিন জনের মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। বুধবার (৫ জুন) বিকালে কুষ্টিয়ার জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. রুহুল আমিন এই রায় দেন।
দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলার কাটদহচর গ্রামের বাসিন্দা মৃত ফজল বিশ্বাস ও নিহতের ছেলে মো. মুন্না বাবু (৩৫), মৃত ইনছার বিশ্বাসের ছেলে ও নিহতের দেবর মো. আব্দুল কাদের (৫৫) ও মুন্না বাবুর বন্ধু মো. ইয়াছিন আলীর ছেলে মো. রাব্বি আলামিন (৩২)। দণ্ডপ্রাপ্তরা সবাই একই এলাকার বাসিন্দা।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, ২০২১ সালের ২১ জানুয়ারি বিকালে মমতাজ বেগম ওরফে জাগা খাতুন তার নিজ বাড়ি থেকে নিখোঁজ হন। এ ঘটনায় নিহতের একমাত্র ছেলে মুন্না বাবু নিজের মা নিখোঁজ হওয়ার চার দিন পর ২৫ জানুয়ারি মিরপুর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।
প্রায় একমাস পর ২৩ ফেব্রুয়ারি কুষ্টিয়া জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের সন্দেহ হলে নিহতের ছেলেকে জিজ্ঞাসাবাদ করে। এতে নিহতের ছেলে ঘটনার সঙ্গে নিজের সম্পৃক্ততাসহ তার চাচা আব্দুল কাদের ও বন্ধু রাব্বির সম্পৃক্ততা স্বীকার করেন।
এ ঘটনায় নিহতের ভাই তোরাব আলী বাদী হয়ে ২৪ ফেব্রুয়ারি রাতে মিরপুর থানায় তিন জনের নাম উল্লেখসহ একটি হত্যা মামলা করেন। ২০২১ সালের ১৭ এপ্রিল মিরপুর থানা পুলিশ মামলাটির তদন্ত শেষে তিন জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।
কুষ্টিয়া জেলা আদালতের রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি (পিপি) অ্যাডভোকেট অনুপ কুমার নন্দী জানান, সম্পত্তি হাতিয়ে নেওয়ার লোভে বিধবা বৃদ্ধাকে হত্যাকাণ্ডে জড়িত সন্দেহে মুন্না বাবু, আব্দুল কাদের ও রাব্বী আলামিনের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ সন্দেহাতীত প্রমাণিত হওয়ায় তাদের মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত।



দৈনিক গণঅধিকার সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।